‏إظهار الرسائل ذات التسميات Online-Earning. إظهار كافة الرسائل

 বন্ধুরা আমাদের মধ্যে অনেক ইউসার দের প্রশ্ন যে ইউটিউব শর্টস ফান্ড কি এবং কিভাবে ইউটিউবে এই দুর্দান্ত ফীচার টির থেকে ক্রিটরদের টাকা দিয়ে থাক...

How To Earn Money YouTube Shorts Channel 2021 | ইউটিউব শটস ভিডিও থেকে টাকা আয়

How To Earn Money YouTube Shorts Channel 2021 | ইউটিউব শটস ভিডিও থেকে টাকা আয়

This Blog is About Bengali Tech tips in, Marketing tips,Youtube ,finance tips in bengali, Mobile, Social Media,computer tips.Blogging tips,news news.

Online-Earning

8 10 99

 বন্ধুরা আমাদের মধ্যে অনেক ইউসার দের প্রশ্ন যে ইউটিউব শর্টস ফান্ড কি এবং কিভাবে ইউটিউবে এই দুর্দান্ত ফীচার টির থেকে ক্রিটরদের টাকা দিয়ে থাকে।  এই শর্টস ভিডিও থেকে টাকা আয় করার জন্য কোন কোন পলিসি ইউটিউবার দের Follow করতে হয়। 

আপনি যদি একজন ইউটিউবার হন তাহলে আপনাকে জানিয়ে দি যে বর্তমানে আপনার ইউটিউব শর্টস চ্যানেল ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার বা ৪ হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম না সম্পূর্ণ হলেও  আপনি ইউটিউব থেকে টাকা আয় করতে পারেন।

আপি যদি এই YouTube Shorts Fund থেকে টাকা ইনকাম করতে চান  তাহলে এই আর্টিকেল টি সম্পূর্ণ শেষ পর্যন্ত পড়ুন এবং এই পোস্ট টিতে জানিয়ে ছি যে বর্তমানে কোন কোন ক্যাটেগরির শর্টস চ্যানেল বানালে আপনি ইউটিউব থেকে খুব তাড়াতাড়ি টাকা পাবেন। 

এছাড়ার এই ইউটিউব শর্টস ফান্ড কোন কোন দেশের Creator রা এখান থেকে  টাকা পাবে এই বিষয়ে সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া রয়েছে। 

ইউটিউব শর্টস ফান্ড কি? ( What Is YouTube Shorts Fund ) 

এ বছরের শুরুর থেকে ইউটিউব তার প্লাটফর্মে TikTok ও Instagram সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের মতো শর্টস ভিডিও নিয়ে আসার জন্য ঘোষণা করে। রীতিমতো এই শর্টস ভিডিও ইউটিউব তার প্লাটফর্মে নিয়ে আসে, এই দুর্দান্ত ফীচার ইউটিউব নিয়ে আসার পর ইউসার দের কাছে খুব ঝড় তলে এই শর্টস ভিডিও ফীচার। 

এই ফীচার যেমন যেকোন ইউসার খুব সহজে উপভোগ করতে পারবে, ঠিক তেমনি খুব সহজ পদ্ধতিতে যেকোন ইউসার তার রুচি অনুযায়ী যেকোন বিষয়ে শর্টস ভিডিও বানাতে পারে। 

ইউটিউবের এই দুর্দান্ত ফীচার YouTube Shorts নামে পরিচিত। এই প্লাটফর্মের ভিডিওর সময় সীমা ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে সীমিত, কোন ভাবে ভিডিওর সময় ৬০ সেকেন্ডের বেশি হয় সেক্ষেত্রে ভিডিও টি YouTube Shorts এর জন্য কার্যকর হবে না। 

YouTube Shorts Video তে কিভাবে টাকা দিয়ে থাকে ( How To Earn YouTube Shorts )

YouTube Shorts Video থেকে কোন রূপ অফিসিয়াল বা ডাইরেক্ট Monitiazation নেই মানে যেমন সাধারণ ইউটিউব চ্যানেলে ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার ও ৪ ঘন্টা ওয়াচ টাইম সম্পূর্ণ করার সঙ্গে সঙ্গে চ্যানেল টি Google Ads দ্বারা টাকা ইনকাম করতে থাকে। এই প্রকারের কোন ফীচার ইউটিউব Shorts video এর জন্য নিয়ে আসে নি। 
YouTube Shorts

কিন্তু ইউটিউব তার Creator দের কোন দিনেই  হতাশা করেন নি তাই এই ধরনের ভিডিও জন্য YouTube Shorts Fund তৈরি করেছেন। যার মাধ্যমে ইউটিউব শর্টস Creator দের টাকা দিয়ে থাকে। 

এই শর্টস ফান্ড যেকোন শর্টস Creator রা পেয়ে থাকে। এই ফান্ড থেকে ১০০ ডলার থেকে ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত টাকা পেতে পারে। 

যেটি আপনার ইমেইল একাউন্টের ইনবক্সে সরাসরি ভাবে জানিয়ে থাকে।  আপনি ইউটিউব শর্টস ফান্ড থেকে টাকার বিষয়ে জানিয়ে থাকবে। এই টাকা আপনাকে একটি সঠিক সময় মতো Claim করতে হবে এবং AdSence একাউন্ট থেকে টাকা টি Received করতে হবে। 

শর্টস ভিডিও থেকে টাকা ইনকাম করার পলিসি ( YouTube Shorts Earning Policy )

শর্টস ভিডিও থেকে সহজে টাকা উপার্জন করা বা অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার একটি সহজ মাধ্যম কিন্তু এখানে বিশেষ কিছু নিয়ম রয়েছে যেটিকে Creator দের মাথায় রেখে ভিডিও বা কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে। 

যদি কোন কারনে ইউটিউবের এই Policy বা নিয়মের বাইরে ভিডিও পাবলিশ হয়ে থাকে তাহলে এখন থেকে কোন ভাবেই টাকা ইনকাম করা সম্ভব নয়। 

তাহলে দেখে নিন শর্টস ভিডিও বানানোর জন্য কোন কোন Policy আপনাকে মানতে হবে। 

  • ভিডিওর সময় সীমা ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে থাকতে হবে। 
  • ভিডিও তে কোন প্রকার Copyright Music ব্যবহার করা চলবে না। 
  • ভিডিও তে YouTube Library এর copyright Free Music করতে হবে।
  • ভিডিও অবশ্য Original Content হইতে হবে। 
  • ভিডিও তে নিজের Voice ব্যবহার করতে হবে। 
  • ভিডিও তে কোন প্রকারের Water Mark থাকা চলবে না। 



ইউটিউব শর্টস ফান্ড কোন কোন দেশের জন্য (YouTube Shorts Fund Eligibility )

নিচের দেওয়া এই সমস্থ দেশের জন্য YouTube তার Shorts Fund এর টাকা দিয়ে থাকে।  আপনি যদি এই দেশের ইউটিউবার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি এই Programm থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

  1. আলজেরিয়া 
  2. আর্জেন্টিনা 
  3. অস্ট্রেলিয়া 
  4. বাহরাইন 
  5. ব্রাজিল 
  6. কানাডা 
  7. চিলি 
  8. কলম্বিয়া 
  9. ডেনমার্ক 
  10. ইজিপ্ট 
  11. ফিনল্যাণ্ড 
  12. ফ্রান্স 
  13. জার্মানি 
  14. হংকং 
  15. ভারত 
  16. ইন্দ্রোনেসিয়া 
  17. ইরাক 
  18. ইতালি 
  19. জাপান 
  20. জর্ডান 
  21. কুয়েত 
  22. লেবানন 
  23. মালয়েশিয়া 
  24. মক্সিকো 
  25. মরক্কো 
  26. নেদারল্যান্ডস 
  27. নিউ জিলণ্ড 
  28. নাইজেরিয়া 
  29. নরওয়ে 
  30. ফিলিপিন্স 
  31. পোল্যান্ড 
  32. রাশিয়া 
  33. সৌদি আরব
  34. সিঙ্গাপুর 
  35. সাউথ আফ্রিকা 
  36. সাউথ কোরিয়া 
  37. স্পেন 
  38. সুইডেন 
  39. সুইজারল্যান্ড 
  40. তাইওয়ান 
  41. থাইল্যান্ড 
  42. টার্কি 
  43. ইউনাইটেড আরব এমিরেটস 
  44. ইউনাইটেড কিংডম 
  45. ইউনাইটেড স্টেট 
  46. ভিয়েতনাম  

শর্টস ভিডিও চ্যানেল আইডিয়া ( YouTube Shorts Channel Ideas 2021 )

আপনি যদি একজন ভালো ও তাড়াতাড়ি শর্টস ফান্ড থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে প্রথমে আপনাকে একটি সঠিক Niche ও সঠিক ক্যাটাগরি বেছে নিতে হবে।

 আপনি যদি এই শর্টস চ্যানেল তৈরি করতে চান এবং আপনি বুঝতে পারছেন না যে কোন বিষয়ে চ্যানেল বানাবো তাহলে নিচের দেওয়া এই ৫ টি ক্যাটাগরি ইউটিউব শর্টস চ্যানেলের উপর আপনি কাজ শুরু করেন তাহলে খুব তাড়াতাড়ি এখানে Grow হতে পারবেন এবং টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 


#1 Food Recipe 

আমরা জানি যেকোন ইউসার বা যেকোন ব্যক্তি Food বা খাবারের ভিডিও অনেকে বেশি পরিমানে পছন্দ করে থাকে। কারন Food ক্যাটাগরি অনেক বড় Niche তাই এখানে ভিডিও দেখার ইউসার ও অনেক বেশি। 

ফুড বিষয়ে ভিডিও আপনি নিচের লোকাল ভাষায় শুরু করতে পারেন বা অন্য কোন ভাষাতেও শুরু করতে পারেন। 

#2 Facts Channel 

আমাদের মধ্যে যেকোন ইউসার দের বিভিন্ন বিষয়ে যেকোন প্রকারের তথ্য বা সেই বিষয়ে জানার খুবই আগ্রহ হয়ে  থাকে।  তাই এই ধরনের Facts Video অনেক পরিমানে ইউসারা পছন্দ করে থাকে। 

ভিডিও মধ্যে অবশ্য আপনাকে নিজের Voice Over দিতে হবে এবং সম্পূর্ণ তথ্য ৫৯ সেকেন্ডের মধ্যে ভিডিও বানাতে হবে। 

#3 Education 

আপনি যদি কোন বিষয়ে মাস্টারি করে থাকেন এবং সে বিষয়ে আপনার ভালো অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে আপনি এই ধরনের কন্টেন্ট বানাতে পারেন। অনেক ইউসার রয়েছে যারা এই ধরনের শর্টস টিপস পছন্দ করে থাকে। ( যেমন - History, Geography, Science )

#4 Government Scheme

বর্তমানে প্রায় দিনে যেকোন ধরনের সরকারি যোজনা এসে থাকে সাধারণ মানুষ দের জন্য। কিন্তু এ বিষয়ে  সাধারণ মানুষ সময় মতো জানতে পায় না। তাই বিষয়ে শর্টস ভিডিও তৈরি করেন তাহলে আপনার চ্যানেল ১ মাসের মধ্যেই ভালো জায়গায় চলে যাবে। 

কারন এই ধরনের Information যেকোন ব্যক্তির প্রয়োজন হয়ে থাকে। 

#5 Motivation  Video 

অনেক ইউসারা রয়েছে যারা নিজের জীবনে কিছু পরিবর্তন বা নতুন কিছু করার জন্য ইউটিউবের মধ্যে এই ধরনের Motivation ভিডিও দেখে থাকে এবং অনেক বেশি পরিমানে View এসে থাকে এই ধরনের ভিডিও তে ।  

আপনার যদি এই বিষয়ে কোন আইডিয়া নাও থাকে তাহলেও আপনি অন্যের ভিডিও থেকে copy করে ভিডিও বানাতে পারেন কেবল Voice Over আপনার নিজের দিতে হবে। 

Conclusion

বন্ধুরা আপনি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে ইউটিউব শর্টস ভিডিও থেকে টাকা আয় করা অনেক সহজ ভালো মাধ্যেম। আমাদের এই আর্টিকেল টি আপনার যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার ও কম্যান্ড করে জানান। 

কোন রূপ প্রশ্ন থাকলে নিচে জানাতে পারেন। 

 ফ্লিপকার্ট ভারতের এক জনপ্রিয় ই-কমার্স প্লাটফর্ম যেখানে প্রচুর পরিমানে ইউসারা নিজের দের পছন্দ মতো পণ্য অথবা Product কিনে থাকে বাড়ি থেকে। তাই...

কিভাবে ফ্লিপকার্ট থেকে টাকা আয় করবেন | Make Money Online From Flipkart 2021

কিভাবে ফ্লিপকার্ট থেকে টাকা আয় করবেন | Make Money Online From Flipkart 2021

This Blog is About Bengali Tech tips in, Marketing tips,Youtube ,finance tips in bengali, Mobile, Social Media,computer tips.Blogging tips,news news.

Online-Earning

8 10 99

 ফ্লিপকার্ট ভারতের এক জনপ্রিয় ই-কমার্স প্লাটফর্ম যেখানে প্রচুর পরিমানে ইউসারা নিজের দের পছন্দ মতো পণ্য অথবা Product কিনে থাকে বাড়ি থেকে। তাই আজকে এই আর্টিকেল থেকে জানাবো কিভাবে আপনি বাড়িতে বসে ফ্লিপকার্ট থেকে অনলাইন ইনকাম করবেন  Earn Money Online free.

বর্তমানে ভারতে ফ্লিপকার্টের ব্যবহার করে অনেকেই টাকা উপার্জন করে চলেছে। তাই আপনি যদি ফ্লিপকার্ট থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে আপনি এই পোস্ট টি সম্পূর্ণ শেষ পর্যন্ত পড়ুন। 

ফ্লিপকার্ট অনেক বড় একটি ই-কমার্স যেখানে খুব সহজে মাসে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করা কোন জটিল বিষয় নয় কেবল আপনার কাছে সঠিক টাকা আয়ের মাধ্যম থাকতে হবে বা আপনাকে সঠিক পদ্ধতি জানতে হবে। 

তাহলে চলুন দেখে নিন কিভাবে আপনি ফ্লিপকার্ট থেকে বা অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করবেন। 

ফ্লিপকার্ট থেকে টাকা আয় - Make Money Online From Flipkart 

ফ্লিপকার্ট একটি ভারতের সবচাইতে জনপ্রিয় অনলাইন Store যেখানে অনেক প্রকারের পণ্য Listed রয়েছে। যার কারনে ফ্লিপকার্ট এত জনপ্রিয় এখানে যেকোন ধরনের পণ্য বিক্রি হয়ে থাকে যেটি সাধারণ দোকান দার রা বিক্রি করে থাকে। 
এখানে সমস্থ Product বিভিন্ন সাধারণ দোকান দার রা বিক্রি করে থাকে, ফ্লিপকার্ট কেবল একটি পণ্য বিক্রি করার অনলাইন মার্কেট। যেমন আমাদের বাড়ির আসে পাশে কোন বাজার হয়ে থাকে সেখানে বিভিন্ন দোকান থাকে এবং সেখানে একাধিক পণ্য বিক্রি করে থাকে। ঠিক সেপ্রকারের ফ্লিপকার্ট একটি আশেপাশের বাজারের মতো। 

ফ্লিপকার্টে যেকোন সালেরা পণ্য বিক্রি করতে পারে তার জন্য তাদের ফ্লিপকার্টে কে কেবল কমিশন দিয়ে থাকে ,সেই কমিশন হল ফ্লিপকার্টের আয়। 

এবার জেনে নিন আপনি এখান থেকে কিভাবে টাকা আয় করবেন। অনেকেই এই বিষয়ে সঠিক কোন তথ্য না থাকায় এখান থেকে টাকা আয় করার সুযোগ হারিয়ে ফেলে। তাহলে জেনে নিন কিভাবে ফ্লিপকার্ট থেকে টাকা আয় করবেন। 

Flipkart Affiliate Marketing 

যেকোন অনলাইন র্ই-কমার্স ষ্টোরে এই ধরনের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম হয়ে থাকে যেখান থেকে ইউসারা এই ই-কমার্স সাইট গুলিকে পণ্য নিজের মাধ্যমে Promote করে টাকা আয় করে থাকে। 

আপনি যদি এই ধরনের অনলাইন ব্যবসা করে টাকা আয় করতে চান তাহলে আপনাকে প্রথমে ফ্লিপকার্ট ই-কমার্স সাইটে Affiliate Program এ Join হতে হবে। যেখানে আপনার নাম, ইমেল আইডি, ও অনলাইন Promote Platform  এ URL  দিতে হবে মানে আপনি এখানে Product  অনলাইনের  প্লাটফমে Promote করবেন যেমন Website, Facebook Page ,YouTube.

Flipkart এ অনেক পণ্য পেয়ে যাবেন Promote করার জন্য যেখানে বিভিন্ন Product এর জন্য ভিন্ন ভিন্ন কমিশন দিয়ে থাকে সাধারণত Flipkart ১ % থেকে ১৫ % পর্যন্ত কমিশন দিয়ে থাকে। 

তাহলে আমরা দেখে নেব যে কিভাবে ফ্লিপকার্টে পণ্য বিক্রি করে অনলাইন ইনকাম করতে পারবে। 


Website Or Blog ( ব্লগ থেকে টাকা আয় )

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য ব্লগ হল সবচাইতে উন্নত ও সঠিক মাধ্যম যেখান থেকে অনেক বেশি পরিমানে সেলস নিয়ে আসা সম্ভব। বর্তমানে অধকাংশ এফিলিয়াটে  মার্কেটের এই ব্লগ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পণ্যের জন্য সেলস নিয়ে আসে। 

কারণ এই ব্লগ আর্টিকেল সাহায্যে যেকোন Product এ সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া সম্ভব , কোন গ্রাহক একটি পণ্য কেনার জন্য সেই বিষয়ে সম্পূর্ণ ইনফরফমেশন নিয়ে তারপর সেটি অনলাইন থেকে কিনে থাকে। 
তাই যেকোন পণ্যের সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া জন্য ব্লগ আর্টিকেল হল সবচাহিতে উপযুক্ত পদ্ধতি এখানে আপনি টেক্সট এর পাশাপাশি ভিডিও ,ইনফোগ্রাফিক্স ও আরও অন্যান্য ফরম্যাটে পেয়ে থাকে কন্টেন্ট লেখার জন্য । 


এফিলিয়াতে মার্কেটিং করার জন্য কিভাবে ব্লগ বানাবেন 

একটি Professional Affiliate Blog বানানোর জন্য সবচাইতে সহজ প্লাটফর্ম হল WordPress. এটি একটি CMS সফটওয়্যার যার সাহায্যে আপনি যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট বানাতে পারেন কোন রূপ কোডিং এর অভিজ্ঞতা ছাড়াই। 

একটি ওয়েবসাইট বানানোর পর আপনাকে Article Writing, SEO, Image Optimization এই সমস্থ বিষয়ে ধারনা থাকতে হবে। যেটি আপনি  খুব সহজে ও অল্প সময়ের মধ্যে শিখে নিতে পারবেন। 

এই ধরনের ব্লগ বানানোর জন্য আপনাকে ইনভেস্ট করতে হবে 
  • Hosting - 2000/-
  • Domain - 500/-
  • Blog Theme - 500/- ( Third Party )


Facebook Group Or Page ( ফেসবুক থেকে টাকা আয় করার সহজ উপায় )

এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য ব্লগ ওয়েবসাইটের পাশাপাশি ফেসবকের মাধ্যেমও  অনেক ভালো পরিমানে টাকা আয় করা সম্ভব কারন ফেসবুক হল সবচাইতে বড় সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম সেখানে বিভিন্ন ধরনের ইউসার রয়েছে। 
ফেসবুকের মাধ্যমে যেকোন পণ্যের তথ্য দেওয়ার জন্য আপনাকে কাছে যেকোন একটি মাধ্যমে থাকতে হবে ফেসবুক গ্রুপ অথবা ফেসবুক পেজ । ফেসবুকে কোন প্রোডাক্টের Review দেওয়ার জন্য আপনি Image এবং ভিডিও এই দুই ফরম্যাটের সাহায্যে ইউসারদের তথ্য দিতে পারেন। 

বর্তমানে ফেসবুকে Reels অনেক ট্রেন্ডিং এ রয়েছে তাই আপনি যেকোন প্রোডাক্টের Review খুব অল্প সময়ের ভিডিও বানিয়ে দিতে পারেন।  এই ধরনের Shorts Video Reels অনেক বেশি Grow হয়ে থাকে। কোন ভিডিও উপলোডে করার পর সেই ভিডিওর Description সেই Product এর affiliate Link দিয়ে দিতে হবে যেটি আপনি Flipkart থেকে Copy করে থাকবেন। 

তারপর যেকোন ইউসার আপনি Reels দেখে তার Description এর লিংকে ক্লিক করে ফ্লিপকার্ট থেকে Product কিনলে আপনি সেখান থেকে কমিশন পেয়ে থাকবেন। ফেসবুক থেকে এই ব্যবসা করার জন্য কোন রূপ ইনভেস্ট করতে হয় না- Make Money Online Without Investment.

YouTube Shorts Channel ( ইউটিউব থেকে টাকা আয় )

বর্তমানে YouTube এর মধ্যে Shorts ভিডিও খুব ট্রেন্ডিং চলছে তাই যেকোন Shorts YouTube এর Rank হতে বেশি সময়ে লাগে না। অল্প সময়ের মধ্যে অনেক পরিমানে View এসে থাকে ভিডিওর মধ্যে। 

আপনি যদি যেকোন একটি প্রোডাক্টের ক্যাটাগরি অনুযায়ী চ্যানেল বানিয়ে সেখানে নিয়মিত সেই পণ্যের উপর ১ মিনিটের Review ভিডিও বানিয়ে সেই Product অ্যাফিলিয়েট লিংক ভিডিও ডেস্ক্রিপশনে দিয়ে সেলস নিয়ে আস্তে পারেন। 

এই ধরনের ভিডিও থেকে খুব কম সময়ের মধ্যে অনেকে পণ্য বিক্রি করতে পারেন। এবং সেখান থেকে আপনি ভালো পরিমানে কমিশনের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারেন। ইউটিউব শর্টস থেকে আরও টাকা ইনকাম করার পদ্ধতি বিষয়ে জানার জন্য ক্লিকে করুন। 

ফেসবুক ও ইউটিউব শর্টস ভিডিও বানানোর জন্য আপনি TikTok ভিডিও ব্যবহার করতে পারেন এবং আপনাকে দেখতে হবে ভিডিওর মধ্যে কোন রূপ Watermark যেন না থাকে। 

ফ্লিপকার্ট থেকে আয় করা টাকা কিভাবে নিবেন 

ফ্লিপকার্ট Affiliate Account এর সাথে অবশ্য আপনাকে একটি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকার একাউন্ট যুক্ত করতে হবে। ফ্লিপকার্ট থেকে উপার্জন করা টাকা আপনাকে মাসের শেষে একটি নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্টে দিয়ে থাকে। 

কোন Product বিক্রি হওয়ার পর সেই পণ্যের কমিশন প্রোডাক্টের Return Policy Date পার হওয়ার পর দেওয়া হয়। কোন কারনে পণ্য টি গ্রাহক নেওয়ার পর কিছু দিন পর রিটার্ন করলে সেই পণ্যের মূল্য আপনি পাবেন না। 

Conclusion

তাহলে বন্ধুরা আপনারা আশা করি বুঝতে বেড়েছে যে কিভাবে Flipkart থেকে টাকা ইনকাম বা অনলাইন থেকে টাকা আয় করবেন ( অনলাইন ইনকাম মোবাইল দিয়ে ২০২১ ) সম্পূর্ণ নিজের স্মার্টফোনের ব্যবহার করে। এই বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ড বক্সের মাধ্যমে জানান। 

বর্তমানে দিন দিন অনলাইন টাকা উপার্জনের মাধ্যম ক্রমশ বেড়ে চলেছে।  যেখানে কোন চাকরি পাওয়া যত কঠিন হয়ে উঠছে বেকার ছেলে মেয়েদের টাকা উপার্জনের ...

লোগো ডিজাইন করে টাকা আয় | Earn money From Logo Design

লোগো ডিজাইন করে টাকা আয় | Earn money From Logo Design

This Blog is About Bengali Tech tips in, Marketing tips,Youtube ,finance tips in bengali, Mobile, Social Media,computer tips.Blogging tips,news news.

Online-Earning

8 10 99

বর্তমানে দিন দিন অনলাইন টাকা উপার্জনের মাধ্যম ক্রমশ বেড়ে চলেছে।  যেখানে কোন চাকরি পাওয়া যত কঠিন হয়ে উঠছে বেকার ছেলে মেয়েদের টাকা উপার্জনের জন্য অনলাইন টাকা আয়ের মাধ্যম অনেক কম ও সহজ মনে হয়ে উঠছে। এখানকার দিনে অনলাইন থেকে টাকা আয়ের বিভিন্ন উৎস রয়েছে তার মধ্যে হল একটি লোগো ডিজাইন করে টাকা আয় 

লোগো ডিজাইন করে টাকা আয় করা অন্যান্য যেকোন পদ্ধতি গুলি থেকে অনেক সহজ। এখানে আপনি খুব অল্প সময়ের মধ্যে ভালো টাকা আয় করতে পারেন। আমরা দেখেছি যেকোন কোম্পানি বা ব্র্যান্ড এর জন্য অবশ্য একটি নিদিষ্ট Logo বা Symbol এর প্রয়োজন হয়ে থেকে যেটি সরাসরি সেই কোম্পানির Brand Value কে ইঙ্গিত করে। 

তাহলে আপনি যদি একজন সফল লোগো ডিজাইনের হতে চান তাহলে এই ফিল্ড কিছু বিষয়ে আপনার ভালো ভাবে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে যেটিকে আপনি কাজে লাগিয়ে কোন কাস্টমারের লোগো ডিজাইন করে টাকা আয় করতে পারেন। তার আগে জেনে নেব লোগো ডিজাইন বিষয়ে কিছু তথ্য ও কোন কোন মাধ্যমে টাকা আয় করা যায়। 

লোগো ডিজাইন কি? What Is Logo Design 

লোগো এক এমন creativity Image fome যেটির সাহায্যে কোন কোম্পানির value কে সরাসরি ভাবে Represent করে থাকে। যেকোন কোম্পানির অবশ্য একটি নিদিষ্ট লোগো থাকা প্রয়োজন কারন কোন  কোম্পানি তার প্রমোশন করার জন্য সম্পূর্ণ নামের ব্যবহার হয় না। 
Logo Design

তারজন্য একটি নিদিষ্ট লোগো অথবা Symbol এর প্রয়োজন হয়ে থাকে। এই কোম্পানি গুলি সরাসরি অনলাইন ও অফলাইন থেকে এই ধরনের লোগো গুলি বানিয়ে থাকে যেটির জন্য তারা অনেক বেশি পরিমানে টাকা দিয়ে থাকে। 

লোগো ডিজাইন কয় প্রকারের- Types Of Logo Design

বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রয়োজন মতো লোগো বানিয়ে থাকে তাই আমরা দেখে নেব লোগো কয় প্রকারের হয়ে থাকে -

  • Monogram Logo 
  • Wordmarks Logo 
  • Mascots Logo 
  • Pictorial Logo 
  • Abstract Logo 
  • Combination Marks 
  • Emblem Logo 


Monogram Logo

Monogram লোগোতে সাধারণত কোম্পানির যে নাম থাকে সেই সম্পূর্ণ পুরো নামের কিছু Latter কে নিয়ে লোগো বানানো হয় যেটি আপনার Short Form বলে থাকি। যেমন - HCL, HP, LG 

Wordmarks Logo 

এই ধরনের লোগো তে কোন কোম্পানির সম্পূর্ণ নাম কে লোগো বানানো হয়। এই ধরনের লোগো বানানোর জন্য ডিজাইনার কে বিভিন্ন ধরনের Text Font ও Color এর ব্যবহার করে তৈরি করে থাকে। যেমন - Google, Godrej, Visa 

Mascots Logo 

ম্যাসকট লোগোতে যেকোন Character অথবা Vector Cartoon কে ব্যবহার করে লোগো বানানো হয়, অবশ্য লোগোর মধ্যে কোম্পানির কাজ কে ইঙ্গিত করে থাকে। যেমন - KFC, Ambuja Cement ,MDH 

Pictorial Logo 

এই ধারনা লোগো তে কোম্পানি কোন রূপ নামের ব্যবহার করা হয় না, কেবল বিশেষ কোন Symbol কে লোগো রূপ দেওয়া হয় যেটি কোন একটি Text বা কোন Image হতে পারে। যেমন-Apple Company Logo, Twitter,  Macdonald 


Abstract Logo 

 এই লোগো তেও একটি Text বা কোন Image ব্যবহার করা হয় কিন্তু Pictorial Logo থেকে কিছুটা আলাদা, এখানে কোন Symbol সাথে Text ও কাজের ধরনের ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। যেমন -Adidas, Asian Paints, Pepsi 


Combination Marks 

এই লোগো বানানোর জন্য বিভিন্ন Text বা Image logo এর সংমিশ্রন করে বানানো হয় যেখানে কোন Symbol এর সাথে কোম্পানির নাম থাকবে। যেমন - HDFC Bank, Pizza Hut, Atari 


Emblem Logo 

এই ধরনের লোগো একটি নিদিষ্ঠ Circle অথবা একটি Shape মধ্যে হয়ে থাকে, লোগো সমস্ত ডিজাইন এই Circle ভেতরে হয়ে থাকে। যেমন-Indian Railway, BMW, Amazon 


লোগো ডিজাইনার কিভাবে হব

একজন ভাল লোগো ডিজাইনার হওয়ার জন্য আপনার মধ্যে ভালো Creativity Idea থাকতে হবে,যেখানে আপনি ভালো ও উন্নত মানের Unique Logo বানাতে হবে। তারপাশে আপনার বিভিন্ন Graphic Design সফটওয়্যার এর ব্যবহার জানতে হবে। একটি ভালো ও আকর্ষণীয় লোগো বানানোর জন্য আপনাকে ভালো tool মাধ্যমে বানাতে হবে। যেমন Adobe Photoshop, CorelDraw , Abode Illustrator . 

অথবা বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের Application রয়েছে যেটি আপনি নিজের স্মার্টফোনের ব্যবহার করে সেখান থেকেও ভালো লোগো বানাতে পারেন। মোবাইল এপ্লিকেশনের মধ্যে PicsArt, PixelLab মাধ্যমে ভালো লোগো খুব সহজে বানাতে পারেন।


লোগো ডিজাইন করে টাকা আয় কিভাবে করবো 

বন্ধুরা লোগো ডিসাইন একটি অনেক ভালো টাকা  আয় করার কাজ। আপনি যদি একজন লোগো ডিজাইনার হয়ে থাকে থাকেন তাহলে আপনি এখন থেকে ভালো টাকা আয় করতে পারেন। এখানে টাকা আয় সাধারণত দুই মাধ্যমে করতে পারেন একটি অনলাইন মাধ্যমে ও অপরটি অফলাইন মাধ্যমে। 

অফলাইনে লোগো ডিসাইন করে টাকা আয় 

আপনি যদি লোগো ডিজাইনের হয়ে থাকেন তাহলে আপনি নিজের লোকাল এরিয়ার লোগো ডিজাইনের কাজ করে তাকে আয় করতে পারেন। এখানকার দিনে লোকাল এরিয়াতে বিপুল পরিমানে লোগো ডিজাইনের কাজ রয়েছে যেটি আপনি খুব সহজে অর্ডার নিয়ে এসে কাজ করে দিতে পারেন। 

অনলাইনে লোগো ডিজাইন করে টাকা আয় 

বর্তমানে যত লোগো ডিজাইনের রয়েছে তার ৯০ শতাংশ আয় অনলাইন থেকে করে থাকে। অনলাইনে লোগো ডিজাইনের বিভিন্ন টাকা আয়ের মাধ্যম রয়েছে যেখান থেকে আপনি দিনে ভালো টাকা উপার্জন করতে পারেন। যেমন 

Freelancing থেকে টাকা আয় 

একজন Logo অথবা Graphics ডিজাইনার সবচেয়ে বেশি টাকা আয় করে থাকে ফ্রীল্যান্কিং থেকে ,বর্তমানে বিভিন্ন Freelance সাইট রয়েছে যেখানে আপনি নিজের Profile বানিয়ে সেখান থেকে কাজ নিয়ে এসে টাকা আয় করতে পারেন খুব সহজে। 

ফ্রিল্যান্স সাইট গুলির মধ্যে Upwork, Fiverr , Freelance.com , Pepole per houre এই সব অনলাইন মার্কেট প্লেস গুলিতে বিপুল পরিমানে লোগো ডিজাইনের কাজ রয়েছে যেখান এক একটি লোগো ডিজাইন করার জন্য অনেক পরিমানে টাকা দিয়ে থাকে। 

এখানে আপনি টাকা কাজ শেষ করার পর সরাসরি আপনার Client কাজ থেকে পেয়ে থাকবেন। 

Logo Design Website 

আপনি যদি Professionally ভাবে লোগো ডিজাইনের কাজ করে থাকেন তাহলে আপনি একটি নিজের পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানিয়ে যেখানে নিজের কাজের অভিজ্ঞতা ও Logo Image Uplode করে যেখানথেকেও Client কাজ নিয়ে এসে টাকা আয় করতে পারেন। 

এখানে আপনি লোগো ডিজাইনের টাকা আপনি কোন Payment Gateway বা Paypal একাউন্টের মাধ্যমে নিতে পারেন। 

ইউটিউব ভিডিও বানিয়ে টাকা আয়

আপনি কোন লোগো designing করার পাশাপাশি ইউটিউবে চ্যানেল বানিয়েও টাকা আয় করতে পারেন। এখানে আপনি সরাসরি সফটওয়্যারের মাধ্যমে লোগো কিভাবে বানাতে হয় ,কোন কাজে কোন লোগো ব্যবহার হয়ে থাকে এ সব ধরনের Tutorial শিখতে পারেন। 

এখানেও আপনি টাকা দুই ভাবে আয় করতে পারেন গুগল এডসেন্স থেকে ও ভিডিও প্রমোশন কাজের অভিজ্ঞতা থেকে কাজ নিয়ে এসে , ইউটিউবে আপনার লোগো বানানো পছন্দ হয়ে থাকে তাহলেও সেখান থেকেও আপনার সাথে যোগাযোগ করে লোগো বানিয়ে থাকে। 

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে লোগো ডিজাইন করে টাকা আয় 

যেকোন লোগো ডিজাইনার কে অবশ্য কোন মাধ্যমে নিজের কাজ কে Promote করতে হবে ,কারন এখানকার দিনে অধিকাংশ ইউসার বলুন বা Clint বলুন সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় কাটিয়ে থাকে। বিশেষ করে Facebook, Twitter সাইট কিন্তু এই সব Professional কাজ এসে থাকে Linkedin থেকে এখানে যদি আপনি ভালো ভাবে নিজের প্রোফাইল কে কাস্টোমাইজটিন করতে পারেন। তাহলে এখানে থেকে আপনি ভালো লোগো ডিজাইনের কাজ পেতে পারেন কারন এখানে অধিকাংশ ইউসার ব্যবসায়িক বা Professional হয়ে থাকে। 

Conclusion 

তাহলে আশাকরি বন্ধুরা বুঝতে পারলেন কিভাবে লোগো ডিজাইন করে টাকা উপার্জন করবেন। এবং এই Article টির থেকে জানলেন কোন সফটওয়্যারের সাহায্যে লোগো ডিজাইন করতে পারবেন ,এই বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে সাহায্যে জানান।